Home / মিডিয়া নিউজ / বাঁধন চট্টগ্রামে মুগ্ধতার কথা জানালেন

বাঁধন চট্টগ্রামে মুগ্ধতার কথা জানালেন

সিনেমার পর্দা নামল। ‘দারুণ’ এক সিনেমা দেখার মুগ্ধতা দর্শকদের মধ্যে। ভালো লাগার এ রেশ নিয়ে

প্রেক্ষাগৃহ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তাঁরা। কিন্তু তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছিল বড় বিস্ময়। অন্ধকার

প্রেক্ষাগৃহে আলো হয়ে তাঁদের সামনে উপস্থিত হলেন ‘রেহানা মরিয়ম নূর’। পর্দায় দেখা সংগ্রামী

নারীর অন্য রূপ দেখলেন চট্টগ্রামের মানুষ। তাঁদের ভালোবাসায় আবেগাপ্লুত আজমেরী হক বাঁধন।

জানালেন সিনেমা নিয়ে মানুষের ভালোবাসা আর উচ্ছ্বাসের কথা।

গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় কাজীর দেউড়ির প্রেক্ষাগৃহ সুগন্ধায় সিনেমার কলাকুশলীদের নিয়ে প্রবেশ করেন বাঁধন। শুরুতে নিজের উচ্ছ্বাসের কথা জানালেন তিনি। বললেন, ‘সমুদ্রপারের শহর চট্টগ্রাম। এই শহরের মানুষের মনও অনেক বিশাল। ‘রেহানা মরিয়ম নূর’–এর পরিচালক থেকে শুরু করে অনেকেই এই শহরের বাসিন্দা। এটা আপনাদেরই (চট্টগ্রামের মানুষ) সিনেমা। এ সিনেমা নিয়ে আপনাদের উচ্ছ্বাসে আমরা অনেক আনন্দিত।’

চট্টগ্রামের সন্তান আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদের এ সিনেমা ইতিমধ্যে বিশ্বদরবারে প্রশংসিত হয়েছে। পেয়েছে আন্তর্জাতিক পুরস্কার। তবে ঘরের ছেলের এ সিনেমা নিয়ে উচ্ছ্বসিত চট্টগ্রামের দর্শকেরাও।

অনেক দিন পর ভালো একটি সিনেমা দেখার উচ্ছ্বাস ছিল সবার মধ্যে। সে উচ্ছ্বাস স্মৃতিবন্দী করতে পর্দার নায়িকার কাছে ভক্তদের আবদার ছিল ছবি ও সেলফি তোলার। ভক্তদের নিরাশ করেননি বাঁধন। নিজেই ছুটে গেলেন দর্শকদের কাছে। ছবি তুলছেন। গল্প করেছেন। সিনেমার ভালো-মন্দ জেনে নিয়েছেন। দিয়েছেন অটোগ্রাফ। ফারহীন নামের এক স্কুলছাত্রী তো নিয়ে এসেছে চিঠি। প্রিয় অভিনেত্রীর হাতে তুলে দিতে পেরে সে কি খুশি তার। এমন ভালোবাসায় ভক্তকে বুকে টেনে নেন বাঁধন।

অনেক দিন পর যেন বাংলা চলচ্চিত্রজগতে প্রাণ এল—এমনটাই বললেন সুগন্ধার মালিক আবুল হোসেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ভালো সিনেমা হলে যে মানুষ দেখতে আসে, তার প্রমাণ ‘রেহানা মরিয়ম নূর’। এক সপ্তাহ ধরে চলছে। কিন্তু দর্শকের কমতি নেই। প্রতিদিনই তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী লোকজন আসছেন। এ ধারা অব্যাহত থাকুক, এটাই কামনা।

ভক্তদের ভিড় কমেছে। এই ফাঁকে চট্টগ্রামে পাওয়া ভালোবাসার অনুভূতির কথা প্রথম আলোকে বলেন বাঁধন। তিনি বলেন, ‘আমি এত দিন ঢাকার প্রেক্ষাগৃহগুলোতে গিয়েছি। ঢাকার বাইরে রেসপন্স (সাড়া) কেমন হয় বা হবে তা খুব একটা আমার জানা নেই। আমি গতকাল এখানে আসলাম। আসার পর থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছিলাম। এয়ারপোর্ট থেকে শুরু করে যেখানে উঠেছি, খেতে গেলাম অর্থাৎ যেখানে গেছি, সবাই “রেহানা মরিয়ম নূর” সম্পর্কে জানেন। তা নিয়ে কথা বলছিলেন।’

তবে তাঁর সব প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে সুগন্ধা সিনেমা হলের দর্শকদের উপস্থিতি ও প্রতিক্রিয়া। ‘রেহানা মরিয়ম নূর’–এর প্রধান শিল্পী বলেন, ‘আজকে এখানে এসে আমি মুগ্ধ। আসলে আমি জানি না কীভাবে আমার অনুভূতি প্রকাশ করব। ওনারা (দর্শকেরা) যেভাবে ভালো লাগার কথা প্রকাশ করছিলেন, সেটা আসলে অনেক অনেক ভালো লাগছে। এটা আমাকে দেখেই বুঝতে পারছেন। হলমালিকেরা বলছেন, অনেক বছর পর এই হলে এভাবে দর্শক হয়েছে। এটা শুনে এত ভালো লেগেছে। সব মিলিয়ে আমরা ভীষণ আনন্দিত।’

Check Also

বাংলাদেশ আমাদেরই একটা অংশ: কৌশানি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী কৌশানি মুখার্জি। অভিনয় করেন কলকাতার সিনেমায়। অর্ধ যুগের ক্যারিয়ারে পেয়েছেন দারুণ পরিচিতি। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

No comments to show.